Breaking News

আপনার শ্রেষ্ঠ দুর্যোগই হােক শ্রেষ্ঠ সুযােগ| BEST MOTIVATIONAL STORY

আপনার শ্রেষ্ঠ দুর্যোগই হােক শ্রেষ্ঠ সুযােগ



জীবন আপনাকে জীবিত রাখবে না, আপনি আপনাকে জীবিত রাখতে পা জীবনের নানান ঘাত-প্রতিঘাত আপনাকে টুঁড়ে ফেলে দিবে, স্বপ্নকে ভেঙ্গে দিরে চলার পথে থামিয়ে দিবে। এমনকি বারবার অপমান আর ব্যর্থতায় আপনাকে আপনার চ্যালেঞ্জ থেকে দূরে সরিয়ে দিবে। কিন্তু আপনাকেই প্রমাণ করতে হবে আপনি হোঁচট খেলেও উঠে আবার দৌড়ানোর ক্ষমতা রাখেন। আপনি ব্যর্থতার শেষ সীমায় পৌছে সফলতা ছিনিয়ে আনার কারিগর হয়ে দেখিয়ে দিতে পারেন। আপনি ব্যর্থতাকেই ব্যর্থ করে দিতে পারেন, আপনিই প্রমাণ করতে পারেন শত বাধার পরও আপনি মহামূল্যবান।

ব্রিটেনে একবার এক প্রফেসর ক্লাসে লেকচার দেওয়ার সময় পকেট থেকে বিশ পাউন্ডের একটা নােট বের করে জিজ্ঞেস করল, কে কে এই নােটটি চাও?

পুরাে ক্লাসের সবাই একসাথে হাত তুলল। এবার প্রফেসর সেই নােটটি ভাজ করে। জিজ্ঞেস করল, এখন কে কে এই নােটটি চাও?

উত্তর সেই একই, সবাই চায়। এবার প্রফেসর নােটটা দুমড়ে মুচড়ে হাতের মুঠোয় নিয়ে জানতে চাইলএবার বলাে কে কে এই নােটনি চাও?

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলাে তখন সবাই হাত তুলল। অবশেষে প্রফেসর নােটটা মাটিতে ফেলে পা দিয়ে ঘষে ঘষে একেবারে ডাস্টবিনের আবর্জনায় পরিণত করে। দিয়ে বলল, এখন এই বিশ পাউন্ডের নােটটা কে কে চাও?

উত্তর এবারও সেই একই, সবাই হাত তুলল । তখন প্রফেসর জিজ্ঞেস করল এই নােটটিকে এত কিছু করার পরও তােমরা প্রত্যেকে একে বারবার চাইলে। কেন চাইলে? একে একে সবাই উত্তর দিল। সবার সারমর্ম ছিল একটাই। এই নােটটি সুন্দর থাকলেও এটির যে মূল্য, নষ্ট হলেও এটির মূল্য একই থাকে। কারণ এর মূল্য ফিক্সড করায় আছে। তখন প্রফেসর বললেন- আজকে তােমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা শিক্ষা পেলে। তুমি হলে ঐ বিশ পাউন্ডের নােটটার মত, জীবন তােমাকে ব্যর্থ করে দিবে, নানান। অঘটন তােমাকে হতাশ করতে চাইবে, কিন্তু তুমি যদি ঠিক থাক তবে তােমার মূল্য কখনাে কমবে না। তুমি বেঁচে থাকবে, সফল হবে, এমনকি স্বপ্নগুলােও পূরণ হবে।

বাস্তব জীবনের কিছু ঘটনা শেয়ার করছি, যেগুলো হয়তাে আপনারা জানেন অনেকেই। ২০০৯ সালে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, যার ইয়াহু জব করার ১২ বছর অভিজ্ঞতা ছিল; তিনি সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যম ফেইসবুকে চাকরির জন্য আবেদন করলে তাকে রিজেক্ট করা হয়। এরপর তিনি নতুন আশায় টুইটারে এ্যাপ্লাই করেন, কিন্তু সেখানেও সেই একই ব্যর্থতা। রিজেক্ট করা হলাে তাকে।

এত ভাল ডিগ্রি, এত ভালাে ব্যাকগ্রাউণ্ড থাকা সত্ত্বেও তিনি চাকরির জন্য চেষ্টা না করে, ইয়াুর প্রাক্তন ছাত্রের সাথে মিলে একটা অ্যাপ তৈরি করেন। পাঁচ বছর আগে তাকে ফিরিয়ে দেয়া সেই কর্তৃপক্ষ ১৯ মিলিয়ন ডলারে তিনি তার অ্যাপটা বিক্রি করেন। এই সেই ব্রায়ান এক্টন, কোফাউন্ডার হিসেবে কাজ করছেন। হোয়াটসঅ্যাপ-এ যখন তিনি ফেইসবুক থেকে রিজেক্টেড হয়েছিলেন, তখন তিনি বলেছিলেন, "এটা একটা চমকার সুযােগ অসাধারণ কিছু মানুষের সাথে পরিচিত হবার, এবার জীবনের নতুন অভিযানের দিকে আমার যাত্রা শুরু হল। তিনি যখন টুইটার থেকে রিজেক্ট হলেন তখন তিনি বলেছিলেন- “কোন ব্যাপার না, এটা খুব স্বাভাবিক বিষয়, অনেক পথ এখনাে বাকি।" যেখানে ছােটখাটো একটু ব্যর্থতায় আমরা সফলতার আশায় ছেড়ে দিই, তখন এই ব্যক্তিটিই সফলতাকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছেন এত বড় ব্যর্থতার ভিড়েও। কিভাবে আনলেন এই সফলতা?

জাদুর কাঠি দিয়ে? নিশ্চয় না। তিনি নিজের প্রতি বিশ্বাস করেছিলেন, ব্যর্থতাগুলােকে পজিটিভলি নিয়েছেন বলেই আজ তিনি সফলতার সিঁড়ি বেয়ে স্বপ্নকে ধরতে পেরেছেন।

আরেক নারীর গল্প বলছি। যিনি হতাশাকে হতাশ করেছিলেন। এই নারী যে তার একমাত্র বাচ্চা নিয়ে দ্বারে দ্বারে একটা চাকরির জন্য ঘুরছিলেন। তার বিবাহিত জীবন নিয়ে তিনি এতই যন্ত্রণায় ছিলেন যে, তাকে মানসিক চিকিৎসা পর্যন্ত নিতে হয়েছে। তিনি অনেক সাধনায় একটা বই লিখেন অনেক স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু ভাগ্যের এক এক নির্মম পরিহাস তার লেখা বই এর পাণ্ডুলিপি মােট ১২ জন প্রকাশক ফিরিয়ে দিয়েছে। "জাদুর শহর" নিয়ে লেখা বই দেখে অনেকে বিদ্রুপ ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছিলেন। এই নারী হলেন হ্যারি পটার সিরিজের স্রষ্টা- জে.কে.রাউলিং। যার লেখা বইকে একসময় কেউ প্রকাশই করতে চাইনি। পরবর্তীতে তার লেখার জন্য প্রকাশকরাই লাইন ধরে। একেই বলে সফলতা। যেখানে ব্যর্থতা এক পা বাড়াতে চাইবে, তখনই আপনার বিজয় বাসনা দ্বিগুণ করে দিতে হবে।

আগের লেখায় আপনাদের উসাইন বােল্টের কথা বলেছিলাম । যিনি বর্তমানে শ্রেষ্ঠ দৌড়বিদ হিসেবে পৃথিবীতে চমক সৃষ্টি করেছেন। ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে তিনি পৃথিবীর সর্বকালের দ্রুততম মানব হিসেবে পরিচিত । পাঁচবার স্বর্ণপদক জয়ী বিশ্ব রেকর্ড করা এই দৌড়বিদ যখন ২০০৮ সালে প্রথম প্রতিযােগিতায় অংশগ্রহণ করেন, তখন নির্দিষ্ট সময়ের আগে দৌড় শুরু করায় তাকে প্রতিযােগিতা থেকে বাদ দেয়া হয়। একজন প্রতিযােগির জন্য এটা প্রচণ্ড অপমানের বিষয়। মাঠে গিয়ে। পরাজিত হওয়ার চেয়েও খেলা থেকে বাদ পড়া খুব লজ্জাজনক। কিন্তু পৃথিবীকে অবাক করে দেয়া তথ্যটি তিনিই সৃষ্টি করে দিলেন। যে মাঠে তিনি অপমানিত হন, তার চেয়েও বড় মাঠের বড় প্রতিযোগিতায় তিনি কিংবদন্তী চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান।

এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে যারা ব্যর্থতাকে সফলতায় পরিণত করে অর্জন করেছে অসাধারণ সফলতা। ব্যর্থতাকে ব্যর্থতা হিসেবে না নিয়ে অভিজ্ঞতা হিসেবে নিলে সেটা হয়ে যায় শিক্ষার একটা অংশ। আর শিক্ষা কখনাে বিফলে। যায় না। শুধু ব্যর্থতাকে স্বাভাবিক শিক্ষার অংশ হিসেবে নিয়ে জীবনে এগিয়ে যেতে হয়। জীবন যেমনই হােক, নিজের মূল্য কখনাে কমে না, যে পুড়ে যাওয়া। ধাতু থেকে অলংকার বানাবে ভাবে, সে হয় কারিগর আর যে শেখে না তার কাছে। সেটা পুড়ে যাওয়া ধাতু।

আপনি যখন এতিম বলে নিজেকে সফলতার অযােগ্য ভাবছেন, তখন আমি ইতিহাস থেকে আরেক পিতৃপরিচয়হীন যুবকের কাহিনী নিয়ে আসলাম আপনাকে জানাতে। তার একসময় থাকার কোনাে জায়গা ছিল না। বন্ধুদের রুমের ফ্লোরে ঘুমাতেন। মানুষের ব্যবহৃত কোকের বােতল ফেরত দিয়ে পাঁচ সেন্ট করে কামাই করতেন, যেটা দিয়ে খাবার কিনতেন। প্রতি রােববার তিনি সাত মাইল হেঁটে হরেকৃষ্ণ মন্দিরে যেতেন শুধু একবেলা ভালাে খাওয়ার জন্য। তিনি অ্যাপল এবং পিকচার অ্যানিমেশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও- স্টিভ জবস। যে তিনি এত মাইল পথ হেঁটে যেতেন শুধু বিনা পয়সায় খাবার খেতে, সে তিনিই আজ হাজার হাজার লােকের অর্থের যােগানদাতা। কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা করছেন অনেকের । ইতিহাসের ব্যর্থতাকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রমাণ করলেন। মানুষ তাই হতে পারে, যা সে স্বপ্ন দেখে।।

আরেক যুবকের কথা বলছি- মধ্যবিত্ত পরিবারে তার জন্ম। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট । স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি। কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তিনি। যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড্রপ আউট হন, একটা সময় এসে সে একই বিশ্ববিদ্যালয় তাকে শুরুত্বপূর্ণ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানায় ।

- তিনি হলেন বিল গেটস । যার নামাটাই অনেক বড় মােটিভেশন। আরেকজন বাবার সাথে মুদি দোকান করত। পরিবারের এতই অভাব ছিলাে যে- স্কুল নাগাদ পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলাে। সেই ব্যক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।

- তিনি হলেন চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সে তুং।।

অভাবের তাড়নায় কুলিগিরি করত। একদিন বাসের কন্ট্রাক্টর কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ট্রাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হয় ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী।

নাম তার জন মেজর। যে ব্যক্তিটি অল্প কিছু টাকার আশায় কাজ করতে গিয়ে। বিতাড়িত হয়েছিলেন, সে তিনিই হয়ে গেলেন সে দেশের অর্থনীতির প্রধান হাতিয়ার। বিশ্বাস করেন এসব ঘটনার চাইতে পৃথিবীতে আশ্চর্যের ঘটনা আর কিছুই হতে পারে না।। এতক্ষণ যাদের কথা বললাম, তারাই হলেন ইতিহাসের সেরা কিংবদন্তী, যারা দুর্যোগকে বানিয়েছেন জীবনের সেরা সুযােগ । পৃথিবীর সকল কিংবদন্তীদের জীবনে দুর্যোগ এসেছিল। তারা শুধু সেটাকে মেনে নিয়েছিল একটা ঘটনা হিসেবে। কিন্তু তারা সেটাকে কখনাে জীবনের শেষ পরিণতি ভাবেননি। যার জীবনে যথ ব্যর্থতা, তার জীবনে সফলতাটাও বিশ্বব্যাপী। আসুন আরেক কিংবদন্তীর কথা শুনি। মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান, ১৬ বছর বয়সে স্কুল থেকে ঝরে পড়েন, ১৭ বছরের মাথায় মােট ৪ বার চাকরি হারিয়েছিলেন। একবার নিজেকে এই অবস্থানে এনে দেখুন তাে কেমন লাগে। যেখানে একটা চাকরি না পাওয়ার যন্ত্রণায় আপনি ক্রমাগত হতাশ হচ্ছেন, সেখানে তিনি সেই সােনার হরিণ পেয়েও চার চারটিবার চাকরি থেকে বিতারিত হলেন | কাহিনী এখানেই শেষ নই।। ১৮ বছর বয়সে তিনি বিয়ে করে তিনি নতুন জীবনের সুখের সন্ধান করতে লাগলেন। ১৯ বছর বয়সে তিনি বাবা হন। সুখের একটু একটু আলাে যখন তার জানালা দিয়ে প্রবেশ করছিল, ঠিক তখনই তাকে আরেক যন্ত্রণার মুখােমুখি হতে। হল । সব কষ্ট ভুলে তিনি যখন চেয়েছিলেন তার প্রিয়তমা স্ত্রীর সাথে জীবনের বাকি সময়টুকু আনন্দে কাটাবেন, ঠিক সে সময়ই অথাৎ ২০ বছর বয়সে তার স্ত্রী তাকে ফেলে রেখে চলে যায় আর কন্যা সন্তানটিকেও নিয়ে যায় সাথে। তিনি আবারাে একা হয়ে পড়লেন। তার জীবনে বারবার পেয়ে হারানাের যন্ত্রণাগুলােই এসেছে। না পাওয়ার চেয়েও মারাত্মক কষ্ট আর যন্ত্রণা দেয় পেয়ে হারানাের বেদনাগুলাে। পরবর্তীতে তিনি নতুন জীবনের সন্ধানে সেনাবাহিনীতে যােগদান করেন এবং সেখানে ব্যর্থ হন। বেঁচে থাকার তাগিদে তিনি ইস্যুরেন্স কোম্পানিতে যােগদান করেন এবং সেখানেও সফলতার দেখা পাননি। জীবনের সব কিছু হারিয়ে এবার তিনি চাকরি নিলেন রেললাইনের কন্ট্রাক্টর হিসেবে, কিন্তু সেখানেও সুবিধে করতে পারেননি। বেশিদিন টিকতে পারলেন না সেখানেও । অবশেষে এক ক্যাফেতে রাধুনির চাকরি নেন। ৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসরে গিয়েছিলেন। অবসরে যাবার প্রথম দিন সরকারের কাছ থেকে ১০৫ ডলারের চেক পেয়েছিলেন। তার কাছে মনে হয়েছিল জীবন তার মূল্যহীন। আত্মহত্যা করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। এরপর একটি গাছের নিচে বসে জীবনে কি কি অর্জন করেছেন তার একটা লিস্ট বানাতে শুরু করলেন। হঠাৎ তার কাছে মনে হলাে- জীবনে এখনাে অনেক কিছু করবার বাকি আছে। আর তিনি বাকি সবার চাইতে একটা জিনিসের ব্যাপারে বেশি জানেন। আর সেটা হলাে রন্ধনশিল্প। তিনি ৮৭ ডলার ধার করলেন সেই চেকের বিপরীতে আর কিছু মুরগী কিনে এনে নিজের রেসিপি দিয়ে সেগুলাে ফ্রাই করলেন। এরপর Kentury প্রতিবেশীর দ্বারে দ্বারে গিয়ে সেই ফ্রাইড চিকেন বিক্রি করা শুরু করলেন। পরবর্তীতে তার এই ফ্রাইড চিকেন এতটাই জনপ্রিয় হল যে, তাতেই জন্ম নিল KENTUCY FRIED CHICKEN তথা KFC এর।

৬৫ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন আর ৮৮ বছর বয়সে এসে Colonel Sanders বিলিওনার হয়ে গিয়েছিলেন। জীবনের সবকটি ঘটনা যখন আপনাকে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করতে চাইবে, আপনাকে হতাশ করতে চাইবে। আপনি তখন শুধু নিজের বিশ্বাসটুকুকেই প্রাধান্য দিবেন। যে ব্যক্তিটি পদে পদে। ব্যর্থতা নিয়ে বেঁচে ছিলেন, সেই তিনিই আজ জীবনের শেষ চেষ্টায় নিজের ছােট কাজকে বিশাল আকারে গড়ে তুলেছেন কেএফসি হিসেবে। আজ বিভিন্ন দেশে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন KFC এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। কে রাখে আজ তার এই ব্যর্থতার খবর? সবাই আপনার সফলতাকেই মনে রাখবে, ব্যর্থতাকে নয়। অতএব দু'একটি ব্যর্থতার ঘটনায় আপনাকে কখনাে পরাজিত করতে পারবে না, যদি আপনি ঠিক থাকেন। মানুষ কখনাে ঘটনার কাছে পরাজিত হয় না। মানুষ পরাজিত হয়, নিজের আত্মবিশ্বাসের দুর্বলতার কারণে।

যে ঘটনাটি আপনার কাছে দুর্যোগ হয়ে আসল, সে একই ঘটনা হয়তাে অন্য কারাে কাছে সুযােগের অনুপ্রেরণা হল। ব্যর্থতাকে কখনাে চরম পরিণতি না ভেবে, শুধু একটি ঘটনা ভেবেই বিদায় দিন। ব্যর্থতাকে জীবনের একটা প্রশিক্ষণ হিসেবে নিন। তবেই আপনি হবেন সেরাদের সেরা। প্রতিটি দুর্যোগই আপনার কাছে। আসবে সুযােগের হাতছানি নিয়ে। এখন জীবনের হিসেবটা বেশ সহজ। আপনি চাইলেন হোঁচট খাওয়ার পর আর না উঠে প্যারালাইসিস রোগীর মত জীবন কাটাতে পারেন। অথবা আবার উঠে দাড়িয়ে দৌড়ে অংশ নিয়ে হয়ে যেতে পারেন। শ্রেষ্ঠ দৌড়বিদ।

No comments